2আলহামদুলিল্লাহ ৩০০ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত তারেক রহমানের পছন্দের লিষ্টে যাদের নাম

  



 আওয়ামী লীগের দীর্ঘ আমলে কোণঠাসা অবস্থায় থাকা বিএনপি এখন নির্বাচনের আগে কার্যত ড্রাইভিং সিটে বসেছে। ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন এবং ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণার কথা মাথায় রেখে সময় নষ্ট না করে দলটি শুরু করেছে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি। নির্বাচনী প্রচার ও জনসংযোগ জোরদারে ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে নামিয়েছে বিএনপি। সরাসরি সম্ভাব্য প্রার্থীদের ফোন করে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান অফিসে বিভিন্ন জেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। এসব বৈঠকের কিছুতে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তারেক রহমানও। পরবর্তীতে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নিজেই একাধিক আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ শুরু করেন।

যমুনা টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিদ তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে জিএম সিরাজ, মাসুদ অরুণ ও আমজাদ হোসেন, এবং মেহেরপুর-১ ও মেহেরপুর-২ আসনের প্রার্থীরা তারেক রহমানের ফোন পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে রাজধানীতেও নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করেছে বিএনপি। ঢাকা মহানগরের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে নামার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-১৬ আসনে আমিনুল হক, ঢাকা-৮ এ মির্জা আব্বাস এবং ঢাকা-৪ এ তানভীর আহমেদ রবিনের নাম ইতোমধ্যে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

জোটের শরিকদের মধ্যেও প্রার্থী নির্ধারণে আলোচনা চলছে। ঢাকা-১৩ আসনে বিবেচনায় আছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ এবং ঢাকা-১৭ আসনে বিবেচনায় রয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের নেতা আন্তালিব রহমান পার্থ। অন্যদিকে ঢাকা-১৪ আসনে নির্দলীয় প্রার্থী রাখার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। বাকি আসনগুলোর সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জোট মিত্রদের সঙ্গে আলোচনার ওপর।

ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, “আমরা মৌখিক নির্দেশনা পেয়েছি। সেই অনুযায়ী আমি জনগণের কাছে যাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের জোটের পক্ষ থেকে ববি হাজ্জাজকে ঢাকা-১৩ এবং আন্তালিব রহমান পার্থকে ঢাকা-১৭ থেকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করার কথা জানানো হয়েছে।”

বিএনপির হাই কমান্ড জানিয়েছে, জনগণের মধ্যে সরকারের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্ম সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই এখন মূল লক্ষ্য। তাদের মতে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর যে সীমিত সময় পাওয়া যায়, তা সরকারের “মাফিয়া কর্মকাণ্ড” উদঘাটনের জন্য যথেষ্ট নয়। এজন্যই দলটি আগে থেকেই মাঠে নেমেছে। দলের শীর্ষ নেতাদের ভাষায়, “যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কম, সেসব আসনে প্রার্থীদের আগেই মাঠে নামতে বলা হয়েছে।”

মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের কাজ চলছে। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনের একক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। তবে জোটবদ্ধ রাজনীতির কৌশলের কারণে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে অন্তত ৫০টি আসনে পরিবর্তন আসতে পারে।

সূত্র: জনকণ্ঠ

Comments

Popular posts from this blog

ব্রেকিং নিউজঃ সংসদ নির্বাচনে ৮ বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত লিস্টসহ দেখে নিন

৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্তের পথে বিএনপি, জানুন কোন আসনে কারা!

হঠাৎ ১১৩ আসনে প্রার্থী বদল করলো বিএনপি। নতুন প্রার্থী তালিকা দেখে নিন।